A Redoan Rony Film • Eid Ul Fitr 2026

Domm: Until The Last Breath


পর্দার লড়াই: চঞ্চল চৌধুরী বনাম আফরান নিশো— ‘দম’ সিনেমায় কার বাজিমাত?

পর্দার লড়াই: চঞ্চল চৌধুরী বনাম আফরান নিশো— 'দম' সিনেমায় কার বাজিমাত?

ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রিতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় আলোচনার নাম ‘দম’। তবে সিনেমার গল্পের চেয়েও দর্শকদের বেশি রোমাঞ্চিত করছে একটি বিশেষ নাম— ‘কাস্টিং’। প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন দুই শক্তিশালী অভিনেতা: চঞ্চল চৌধুরী এবং আফরান নিশো। তারা দুজনই বর্তমানে অভিনয়ের শীর্ষস্থানে রয়েছেন, তাই এই লড়াই কেবল স্ক্রিন শেয়ারিং নয়, বরং শ্রেষ্ঠত্বের এক অদৃশ্য লড়াই।

চঞ্চল বনাম নিশো: এক পর্দায় দুই জাদুকর

কাকতালীয় হলেও সত্য, চঞ্চল চৌধুরী এবং আফরান নিশো দুজনই ওটিটি (OTT) প্ল্যাটফর্মে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন। একদিকে চঞ্চল চৌধুরীর ‘কারাগার’ বা ‘তাকদীর’-এর মতো কালজয়ী কাজ, অন্যদিকে আফরান নিশোর ‘সুড়ঙ্গ’ দিয়ে বড় পর্দায় ধামাকা এন্ট্রি।

‘দম’ সিনেমায় এই দুই তারকার উপস্থিতি মানেই অভিনয়ের এক রাজকীয় লড়াই। নির্মাতা রেদওয়ান রনি এই দুইজনকে এক ফ্রেমে এনে দর্শকদের জন্য তৈরি করেছেন এক মহাকাব্যিক সারভাইভাল থ্রিলার। চঞ্চল যেখানে অভিজ্ঞতার এক পাহাড়, নিশো সেখানে নিজেকে ভেঙে নতুনভাবে গড়ার এক কারিগর।

কেন এই দ্বৈরথ ঢালিউডের জন্য স্পেশাল?

এই দ্বৈরথ কেন সাধারণ কোনো লড়াই নয়, তার কিছু বিশেষ কারণ রয়েছে:

১. ভার্সেটাইল অভিনয় ও মেথড অ্যাক্টিং: চঞ্চল চৌধুরী যেকোনো চরিত্রে নিজেকে এমনভাবে মিশিয়ে দেন যে দর্শক তাকে ভুলে চরিত্রের নামেই মনে রাখে। অন্যদিকে, নিশো মেথড অ্যাক্টিংয়ের এক অনন্য উদাহরণ। এই সিনেমার জন্যই তিনি তার ওজন ৯৭ কেজি থেকে কমিয়ে ৭৫ কেজিতে নামিয়ে এনেছেন, যা প্রায় ২০ কেজির ধকল [সূত্র: প্রথম আলো, ৩০ অক্টোবর ২০২৫]। এই ডেডিকেশনই প্রমাণ করে তারা পর্দায় একে অপরকে এক চুলও ছাড় দেবেন না।

২. অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রি ও রাইভালরি: দুইজনের অভিনয়ের ধরন আলাদা হলেও লক্ষ্য এক— নিখুঁত পরিবেশনা। দর্শকরা মুখিয়ে আছেন এটা দেখতে যে, সিরিয়াস কোনো সংলাপে বা ইমোশনাল দৃশ্যে কে কাকে টেক্কা দেন। তাদের এই লড়াই বাংলা সিনেমার দর্শকদের জন্য এক বিরল উপহার।

৩. বিগ ক্যানভাস ও গ্লোবাল অ্যাপিল: কাজাখস্তানের বরফঢাকা দুর্গম পাহাড় থেকে ঢাকার জনাকীর্ণ অলিগলি— বিশাল বাজেটের এই সিনেমায় দুই তারকার এই সংঘাত সিনেমাটিকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঢালিউডে এমন ‘লার্জার দ্যান লাইফ’ প্রেক্ষাপটে দুই মেগাস্টারকে আগে কখনো দেখা যায়নি।

শেষ হাসি হাসবে কে?

সিনেমাটির শুটিং ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে এটি উচ্চমানের সম্পাদনা ও ভিএফএক্স-এর (VFX) কাজ চলছে। ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতরে যখন সিনেমাটি মুক্তি পাবে, তখন প্রেক্ষাগৃহে শুরু হবে আসল উন্মাদনা।

একজন দর্শক হিসেবে এই লড়াই নিয়ে আপনার উত্তেজনা কেমন? চঞ্চল চৌধুরীর সহজাত অভিনয় নাকি আফরান নিশোর এক্সপেরিমেন্টাল এপ্রোচ— কার দিকে পাল্লা ভারি রাখছেন আপনি? আপনার উত্তর আমাদের কমেন্ট বক্সে লিখে জানান!

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *